‘টেখক’
তাঁর অঙ্গাভা
অমলা ও অন্যান্য শিক্ষকরা। অমলাও তার নারীত্বের মর্যাদা রক্ষার জন্য শিক্ষকের পদ ত্যাগ করেছে। মণিভূষণ তার বিদ্যালয়ে যে সকল আদর্শ শিক্ষাবিধি ও পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন প্রণব-গোষ্ঠী তা নষ্ট করার কাজ করতে থাকে। অন্যদিকে প্রণব তার নিজের ভাইপো-ভাইঝি
বইয়ের পাতায় পাতায় কত ইতিহাস জমা হল। ১৯৩৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল সতু সেন পরিচালিত ‘চোখের বালি’ সিনেমাটি। ২০০৩ সালে এই রবীন্দ্র উপন্যাসকেই নতুনভাবে ফিরে দেখলেন তরুণ পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। সময়ের ব্যবধানে দেখার চোখ গেল বদলে। উঠে এল নতুন কালের ভাষ্য। আগেও বহুবার এমনটা ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ সত্যজিতের চোখে চারু নামের একটি মেয়ের গুমোট মনের কথা হয়ে ফিরে এসেছে। ‘ঘরে বাইরে’-র চুম্বন দৃশ্য নিয়ে উঠেছে ঘোর বিতর্ক। সত্যজিৎ তার বিশ্বকবিকে ধরে রেখেছেন ‘রবীন্দ্রনাথ’ তথ্যচিত্রে। ঋতুপর্ণও আগামীর চোখ দিয়ে আবহমানের এক কবিকে খুঁজেছেন ‘জীবনস্মৃতি’র বায়োপিকে। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত রবীন্দ্রনাথের তেরোটি কবিতা অবলম্বনে তৈরি করলেন ‘ত্রয়োদশী’ সিনেমা কোলাজটি। বীরেশ্বর বসুর ‘বিসর্জন’-এ এসে ছায়া ফেলল সত্তর দশকের অশান্ত সময়। হিন্দিতে কুমার সাহানি ‘চার অধ্যায়’ করতে গিয়ে ব্যবহার করলেন জীবনানন্দের কবিতা। রবীন্দ্রোত্তর এসে দাঁড়াল রবীন্দ্রনাথের মাঝখানে। ঋণস্বীকার না করা হলেও
তারই দিকে নানাভাবে তাকানো। তাকেই উলটে পালটে নেওয়া। সেইসব চলমান জীবনের দিকে তাকালে অনেক সময় যেন একটি জীবনকে মনে হয় বড়ো চেনা। আরে
আপনজনেরা রজতকান্তি রায়চৌধুরী ‘টেখক’APANJANERA : '' , , , , , , ; , , , , , : 21(h) 15(w) 2(d)